মাওলানা সাদ কান্ধলভির বিরুদ্ধে কেন ক্ষুব্ধ তবলিগ ও কওমি আলেমরা? maulana saad Bangladesh
Video Courtesy of : ekattor tv
হটাৎ তাবলীগে কি হল! mufti faizullah speech (মুফতি ফয়জুল্লাহ)
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (hefazat-e-islam bangladesh)
তাবলীগের সাথীরা কেন মওলানা সাদের বিরোধিতা শুরু করেছে জানুন বিস্তারিত .

দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়া
বর্তমানে পৃথিবীর অধিকাংশ উলামায়ে কেরাম ও মাশায়েখগণের অনুরোধ ও দাবি হলো, মাওলানা মুহাম্মদ সাদ কান্দলবি সাহেবের চিন্তাচেতনার ব্যাপারে দারুল উলুম দেওবন্দ নিজেদের মতামত যেন স্পষ্ট করে দেয়। হালে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নির্ভরযোগ্য বেশ কয়েকজন উলামায়ে কেরামের পক্ষ থেকেও চিঠিও মিলেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও দারুল উলুম দেওবন্দের ইফতা বিভাগে প্রশ্ন এসেছে বহু। তাবলীগের ভেতরকার মতানৈক্য ও যাবতীয় অব্যবস্থাপনার কথা আলোচনা সরাসরি পেশ করতে চাই, গেলো বছর কয়েক ধরে ইস্তিফতা ও পত্র মারফত মাওলানা মুহাম্মদ সাদ কান্দলবি সাহেবের মতাদর্শ চিন্তাচেতনা সম্পর্কিত তথ্য দারুল উলুম দেওবন্দে মেলে। কিছু কথায় আম্বিয়ায়ে কেরাম আলাইহিস সালামের ব্যাপারে বেয়াদবিমূলক আচরণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। অথচ অনেক ব্যাপার এমন রয়েছে, যার ফলে আলোচ্য ব্যক্তি জমহুরে উম্মাহ ও ইজমায়ে সালফের গ-ি থেকে বেরিয়ে যেতে থাকেন। বেশকিছু ফিকহি মাসায়েলেও তিনি গ্রহণযোগ্য দারুল ইফতাসমূহের দেয়া ফতোয়ার বিপরীত মূলনীতিহীন মত কায়েম করে আমজনতার সামনে জোর দিয়ে বয়ান করে থাকেন।তাবলিগ জামাতের কাজের গুরুত্ব তিনি এভাবে বয়ান করে থাকেন, যার মাধ্যমে দ্বীনের অন্যান্য শাখার ওপর কঠোরভাবে আঘাত হানা ও দোষক্রটি আরোপ করা এবং হীনতা প্রদর্শিত হয়’ সালফে সালেহিনের দাওয়াতি পুরোনো পন্থার রদ ও অস্বীকার করা হয়। ফলে আকাবির ও আসলাফের মাহাত্ম্যেও ঘাটতি, হীনতা প্রদর্শিত হয়। তার এই মতাদর্শ তাবলীগ জামাতের সাবেক দায়িত্বশীল হযরত মাওলানা ইলিয়াস সাহেব (রহ.) হযরত মাওলানা ইউসুফ সাহেব (রহ.) হজরত মাওলানা ইনামুল হাসান সাহেব (রহ.)-এর সম্পূর্ণ বিপরীত। সাদ সাহেবের বয়ানসমূহের যতোটুকু আমাদের অবধি পৌঁছেছে, আর যেগুলোর সম্বন্ধ তার প্রতি সত্য প্রমাণিত হয়েছে, তার মধ্য থেকে কিছু এমন-
০১. রাব্বুল আলামিনের ডাকে হজরত মুসা আলাইহিস সালাম নিজ কওম ও জামাত ছেড়ে নির্জনে একাগ্রতায় চলে যান। ফলে বনী ইসরাঈলের ৫ লাখ ৮৮ হাজার মানুষ পথভ্রষ্ট হয়ে যায়। মূল তো ছিলেন তিনিই। আর তিনিই ছিলেন দায়িত্বশীল। মূল যিনি, তার থাকা চাই। হযরত হারুন আলাইহিস সালাম তো ছিলেন তার সহকারী।
০২. নকল ও হরকত তওবার পূর্ণতা ও আত্মশুদ্ধির জন্য। তওবার তিনটে শর্ত তো লোকে জানে। কিন্তু চতুর্থটি কারোর জানা নাই। ভুলে গেছে। আর সেটি হলো আল্লাহর পথে বের হওয়া। এটিকে মানুষ ভুলিয়ে দিয়েছে। নিরানব্বই খুনির সাক্ষাত কোন পাদ্রীর সঙ্গে হয়েছে। পাদ্রী তাকে নিরাশ করেছে। এরপর তার দেখা এক আলেমের সঙ্গে হয়েছে। আলেম তাকে বলেছে, তুমি অমুক বস্তিতে বেরিয়ে পড়ো। অতঃপর সেই খুনি বেরোলো। আর আল্লাহতায়ালা তার তওবা কবুল করেছেন। এর দ্বারা বোঝা যায়, তওবার জন্য আল্লাহর পথে বেরোনো শর্ত। অন্যথায় তওবা কবুল হয় না। এই শর্তটি মানুষ ভুলে গেছে। কেবল তিনটি শর্ত বয়ান করে, অথচ চতুর্থ শর্ত অর্থাৎ আল্লাহর পথে বেরোনোর শর্তটি ভুলে গেছে একেবারেই।
০৩. হেদায়েত প্রাপ্তির স্থল একমাত্র মসজিদ। যেখানে কেবল ধর্মীয় পড়াশোনা হয়, তাদের সম্পর্ক যদি মসজিদের সঙ্গে কায়েম না হয়, তাহলে আল্লাহর শপথ সেখানেও দীন রয়েছে বলে ধরা হবে না। সেখানে ধর্মীয় পড়াশোনা হতে পারে কিন্তু দীন বা ধর্ম হবে না। (এই চয়নে মসজিদের সম্পর্কের সঙ্গে তার উদ্দেশ্য মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়া নয়। বরং এ কথা তিনি মসজিদের গুরুত্ব এবং দ্বীনের কথা মসজিদেই করার ব্যাপারে নিজের বিশেষ মতাদর্শ বয়ানকালে বলেন। যার বিস্তারিত অডিও বিদ্যমান। তার এই দৃষ্টিভঙ্গি হয়ে গেছে এমন, দীনের কথা মসজিদের বাইরে বলা সুন্নতের বিপরীত যা আম্বিয়ায়ে কেরাম, সাহাবায়ে কেরামের মতাদর্শের খেলাফ।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব

Fair Use Disclaimer for Bangladeshi Contents:
This channel may use some copyrighted materials without specific authorization of the owner but contents used here falls under the “Fair Use” as described in The Copyright Act 2000 Law No. 28 of the year 2000 of Bangladesh under Chapter 6, Section 36 and Chapter 13 Section 72. According to that law allowance is made for "fair use" for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use.